বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২২nd জুলাই ২০১৮

জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০১৮ উপলক্ষ্যে মৎস্য প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ২০শে জুলাই ২০১৮


প্রকাশন তারিখ : 2018-07-20

 

জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০১৮ উপলক্ষে বিএফআরআই’র মৎস্য প্রযুক্তি মেলা শুরু

মাছের নতুন নতুন ‍উদ্ভাবিত প্রযুক্তির প্রদর্শনসহ এ খাতের নানা দিক তুলে ধরে শুরু হয়েছে মৎস্য প্রযুক্তি মেলা ২০১৮। মৎস্য চাষ বিষয়ে পরামর্শ প্রদান, সেমিনার, সভাসহ নানা আয়োজন রয়েছে মেলায়। জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০১৮ উপলক্ষে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের  (বিএফআরআই) স্বাদুপানি কেন্দ্র আয়োজিত এ মেলা আজ ২০ জুলাই রোজ শুক্রবার শুরু হয়েছে।

পাঁচদিন ব্যাপী (২০-২৪) এ মেলা ইনস্টিটিউটের সদর দপ্তরের অডিটরিয়ামে উদ্বোধন করেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আলহাজ্ব অধ্যক্ষ মতিউর রহমান। ময়মনসিংহ সার্কিট হাউজ প্রাঙ্গণে মেলাটিঅনুষ্ঠিত হবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের ডীন প্রফেসর ড.গিয়াস উদ্দিন আহমদ বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। সম্মানীয় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রাণালয়ের যুগ্ম সচিব অসীম কুমার বালা। উপস্থিত ছিলেন মৎস্য অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোঃ রেজাউল করিম। সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের সম্মানিত মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ।

প্রধান অতিথির বক্তব্য ধর্ম মন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে মৎস্য খাতের গুরুত্ব অপরিসীম। দেশের ক্রমবর্ধমান জনগোষ্ঠার পুষ্টি চাহিদা পূরণ, কর্মসংস্থান, খাদ্য নিরাপত্তা, দারিদ্র বিমোচন এবং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে মৎস্য খাত অসামান্য অবদান রাখছে।তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠার পর থেকে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট মৎস্য সম্পদ উন্নয়নে গবেষণা ও পরিচালনা করে আসছে। ফলশ্রুতিতে দেশে মাছের বিপ্লব ঘটেছে। মৎস্য উৎপাদনে বাংলাদেশ আজ বিশ্বে তৃতীয় অবস্থানে আছে।

অনুষ্ঠানের সভাপতির বক্তব্যে ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ জানান, ইনস্টিটিউট থেকে ইতোমধ্যে মৎস্য চাষ ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ক ৬০টি প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে। মৎস্য অধিদপ্তর এবং অন্যান্য বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এসব প্রযুক্তি মাঠ পর্যায়ে সম্প্রসারণের ফলে দেশে মাছের উৎপাদন বর্তমানে প্রায় ৪১.৩৪ লক্ষ মে.টনে উন্নীত হয়েছে। তাছাড়া, বর্তমান সরকারের আমলে ইনস্টিটিউটের আওতায় বেশ কয়েকটি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়িত হওয়ায় ইনস্টিটিউটের গবেষণাগারের সুযোগ বৃদ্ধি পেয়েছে।

তিনি জানান, ইনস্টিটিউট থেকে দেশের জলজসম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা, পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখা এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষার লক্ষ্যে অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বসম্পন্ন অপ্রচলিত জলজসম্পদ যেমন কাঁকড়া, কুচিয়া, সী-উইড, শামুক ও ঝিনুকের চাষাবাদের উপর গবেষণা পরিচালনা করা হচ্ছে।

মৎস্য উৎপাদনে বাংলাদেশ আজ স্বয়ংসম্পূর্ণ। দেশের মৎস্য সম্পদ উন্নয়নের জন্য চাষী ও উদ্যোক্তা পর্যায়ে গণসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে মৎস্য সপ্তাহ উদযাপিত হয়। মৎস্য অধিদপ্তর, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিউট, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদ ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য প্রতিষ্ঠান এ উপলক্ষে নানা কর্মসূচী আয়োজন করে।

স্বয়ংসম্পূর্ণ মাছে দেশ, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ স্লোগানকে সামনে রেখে এ মৎস্য প্রযুক্তি মেলা সকাল ১০.০০ থেকে রাত ৮.০০ টা পর্যন্ত সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। মেলায় মৎস্য অধিদপ্তর, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিউট, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, মৎস্য সর্ম্পকিত সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করেছে।

 


Share with :

Share with :

Facebook Facebook